লগ আউট
Are you sure you want to exist?
Denis Sergienko • আজ

ভারতে ডিজিটাল ঋণদানের অ্যাপগুলোর ওপর বাড়তি নজরদারি

ভারতে ডিজিটাল ঋণদানের অ্যাপগুলোর ওপর বাড়তি নজরদারি

ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় বলা হয়েছে, ডিজিটাল ঋণদানের অ্যাপগুলোর ওপর তদারকি ও যাচাই-বাছাই আরও বাড়ানো হবে। নতুন নিয়মগুলো শুধু অ্যাপ ডেভেলপার ও ঋণদাতাদের ক্ষেত্রেই নয়, এ ধরনের ডিজিটাল পণ্য বা পরিষেবা ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

কী ঘটেছে?

কিছু দেশ নিজস্ব ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলেছে এবং ইতিমধ্যেই সেগুলোর মাধ্যমে ঋণ দিচ্ছে। অন্যদিকে, এ ধরনের অ্যাপের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণসহ একাধিক অভিযোগের পর ভারত আরও কঠোর নজরদারি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এ ছাড়া, ঋণদানের খাতে আরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। গ্রাহকেরা আর তৃতীয় পক্ষের দেওয়া অনলাইন ঋণ বা ক্রেডিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। শুধু ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য নিয়ন্ত্রিত সংস্থাই ঋণ দেওয়া এবং/অথবা ঋণের কিস্তি আদায়ের অধিকার পাবে।

ইন্ডাস্ট্রির সেরা ট্রেডিং শর্ত
ডিপোজিট বোনাস
সর্বোচ্চ 200% ডিপোজিট বোনাস 
সর্বোচ্চ 200%
স্প্রেড
0 পিপ থেকে স্প্রেড 
0 পিপ থেকে
পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
এখনই যোগ দিন

কী আশা করা যায়?

ডিজিটাল ঋণচুক্তি ও ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে, তৃতীয় পক্ষের সংশ্লিষ্টতা ছাড়া ঋণগ্রহীতা ও একটি নিয়ন্ত্রিত সংস্থার মধ্যেই সব লেনদেন সম্পন্ন করতে হবে (তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে)। ফলে, শুধু সরাসরি ঋণদাতারাই ফি নির্ধারণ ও আদায় করতে পারবে।

ঋণগ্রহীতাদের আর্থিক তথ্য সুরক্ষিত রাখতেই মূলত এসব বিধিনিষেধ চালু করা হয়েছে। আগে, DLAs (ডিজিটাল ঋণদানের অ্যাপ) ব্যবহারকারীদের তথ্য সংগ্রহ করত, কিন্তু তার স্পষ্ট নিরীক্ষা-রেকর্ড রাখত না। এখন থেকে ঋণগ্রহীতার আগাম স্পষ্ট সম্মতি নিয়েই সব তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

এ ছাড়া, বাড়তি নজরদারি ও তদারকির ফলে সুদের হার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়ানো নিষিদ্ধ হবে। ঋণদাতাদের ফি ও কমিশনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং সেগুলো ঋণগ্রহীতাকে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।

বিভিন্ন আর্থিক বাজারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো কীভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারে তা আমরা সবাই জানি। একই সঙ্গে, রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া আরও এগিয়ে ক্রিপ্টোকারেন্সির ওপর নতুন বিধিনিষেধ ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে বলে আমরা ধারণা করতে পারি।

বর্তমান বিধিনিষেধ ও সরকারি ডিজিটাল ক্রিপ্টোকারেন্সি বিল অনুযায়ী, ব্যক্তিমালিকানাধীন কয়েন ও টোকেন নিষিদ্ধ। তবে বিলটিতে বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছু সুযোগ রাখা হয়েছে। এতে ক্রিপ্টোকারেন্সি কীভাবে ব্যবহার করা যাবে, সে বিষয়ে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে। ফলে, ক্রিপ্টোকারেন্সি ডেরিভেটিভের দ্রুত প্রসার বিবেচনায় ট্রেডারদের জন্য কিছু ইন্সট্রুমেন্টের সুযোগ থেকে যায়।

একই সময়ে, MCX-এ সোনা এখনও সবচেয়ে বেশি ট্রেড হওয়া অ্যাসেটগুলোর একটি। প্রতিদিন প্রায় 15,000টি কন্ট্র্যাক্ট ট্রেড হয়, যার মোট মূল্য 4500 কোটিরও বেশি।