Scan & Get our app!
Get our app!
Download our app and stay connected on the go.
Scan & Get our app!
Scan QR-code to download our app and stay connected on the go.
বাজারের অংশগ্রহণকারীরা পরবর্তী পদক্ষেপের দিকনির্দেশ পেতে নতুন সংকেতের অপেক্ষায় থাকায় ট্রেডিংয়ের মনোভাব মোটামুটি শান্ত রয়েছে।
বুধবার দিনের শুরুতে বাজার স্থিতিশীল ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের (US) মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদন প্রকাশের পর ট্রেডাররা বাজারের গতিবিধি নতুন করে পর্যালোচনা করায়, বাজারে ‘ঝড়ের পর শান্ত’ ভাব দেখা গেছে।
টানা তিন দিন ধরে AUDUSD কমছে। EURUSD ও GBPUSD—দুটিই সামান্য বেড়েছে। যুক্তরাজ্যের কর্মসংস্থানের প্রতিবেদন মিশ্র হলেও ব্রিটিশ পাউন্ডের দাম বেড়েছে।
জাপানে ছুটি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে তেমন গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট না থাকায় এশিয়া-প্যাসিফিকের বাজারগুলো গুরুত্বপূর্ণ সপ্তাহের শুরুতে অনেকটাই স্থির ছিল। সপ্তাহান্তে বাণিজ্য ও রাজনীতিতে বড় ধরনের ঘটনা ঘটলেও ট্রেডিং কার্যক্রম সীমিত ছিল।
শুল্ক, রাজনৈতিক ঝুঁকি এবং সোনার বারের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক নিয়ে উদ্বেগের কারণে Gold দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চ পর্যায়ে শক্তিশালী রয়েছে এবং টানা দ্বিতীয় সপ্তাহে বাড়ার পথে রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেন। নতুন শুল্কব্যবস্থা ও রাজনৈতিক পরিকল্পনার মাধ্যমে সেই প্রভাব বৃহস্পতিবারও অব্যাহত থাকে।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক তথ্য, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বাণিজ্য ও রাজনৈতিক হুমকি এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশের আগে সতর্কতার কারণে বাজারের মনোভাব চাপের মুখে রয়েছে।
সোমবারের শুরুতে ঝুঁকি নেওয়ার মনোভাব মিশ্র, কারণ ট্রেডাররা শুক্রবারের দুর্বল মার্কিন কর্মসংস্থান প্রতিবেদন ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পদক্ষেপগুলো মূল্যায়ন করছেন। এ সময় অর্থনৈতিক সূচিও তুলনামূলকভাবে কম।
কানাডা ও সুইজারল্যান্ডের ওপর নতুন শুল্ক বৃদ্ধি এবং তামা আমদানিতে শুল্ক আরোপ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে, ফলে ওষুধের দাম কমানোর উদ্যোগটি আড়ালে পড়েছে।
চার দিন টানা দরপতনের পর জাপানি ইয়েন (JPY) কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। BoJ-এর সামান্য hawkish অবস্থান এবং বাজারের সামগ্রিক সতর্কতা এতে সহায়তা করেছে।
আজ ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির (FOMC) মুদ্রানীতির ঘোষণা সামনে রেখে বৈশ্বিক বাজারে স্বাভাবিক সতর্কতা দেখা যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইইউ বাণিজ্য ‘ফ্রেমওয়ার্ক’ চুক্তি নিয়ে শুরুতে আশাবাদ তৈরি হলেও, বাজারের অংশগ্রহণকারীরা ইইউর প্রতিক্রিয়া নতুন করে মূল্যায়ন করেছেন এবং আগের ইতিবাচক মনোভাব কিছুটা কমিয়েছেন।