
জাপান সরকার স্টার্টআপগুলোকে সহায়তা করতে অর্থায়নের একটি পদ্ধতি হিসেবে ক্রিপ্টোকারেন্সি যুক্ত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। প্রচলিত শেয়ারের পরিবর্তে কোম্পানিগুলোকে ক্রিপ্টো অ্যাসেটের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহের অনুমতি দেওয়া হবে।
জাপানে ব্যবসা শুরু করতে চাওয়া স্টার্টআপগুলো এখন ডিজিটাল অ্যাসেট বিক্রি করে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম থেকে তহবিল পেতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, এ ধরনের পদক্ষেপ ব্লকচেইন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা স্টার্টআপগুলোকে তহবিল সংগ্রহের আরও বেশি বিকল্প দেবে। সহজভাবে বললে, লিমিটেড পার্টনারশিপগুলো বিভিন্ন ধরনের অ্যাসেটে বিনিয়োগের সুযোগ পাবে।
সম্প্রতি, স্টার্টআপে বিনিয়োগের জন্য মূলধন ব্যবহার করার ক্ষেত্রে লিমিটেড পার্টনারশিপগুলোকে প্রচলিত ধরনের অ্যাসেট ব্যবহারে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছিল। নতুন নিয়মে শুধু ডিজিটাল অ্যাসেটই এই তালিকায় যুক্ত হবে না, বিভিন্ন ধরনের টোকেনও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে।



এখানে প্রধান সুবিধা হলো, প্রচলিত অ্যাসেটের তুলনায় টোকেনে আরও বেশি সুবিধা রয়েছে। প্রথমত, এগুলো দ্রুত তৈরি ও সরবরাহ করা যায়। তাছাড়া, কোনো মধ্যস্থতাকারীর (ব্যাংক বা ব্রোকারেজ ফার্ম) প্রয়োজন হয় না। সবশেষে, এই পরিবর্তনের ফলে Web3-এর অফার আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
শুধু 2022 সালেই Web3 স্টার্টআপগুলো $15 বিলিয়নের বেশি তহবিল সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। তবে আগের বছরের শেষদিকে FTX-এর পতনের কারণে তহবিল সংগ্রহের কার্যক্রম কমে যায়। স্বস্তির বিষয়, 2023 সালের Q1-এ বৃদ্ধি দেখা যাওয়ায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।
শেষ পর্যন্ত, দেখা যাচ্ছে জাপান সরকার সেই বিধিনিষেধ তুলে নিচ্ছে, যেগুলোর কারণে লিমিটেড পার্টনারশিপগুলো স্টার্টআপে বিনিয়োগের জন্য ডিজিটাল অ্যাসেট ব্যবহার করতে পারত না। এতে স্থানীয় ভেঞ্চার ক্যাপিটাল সংস্থাগুলো অংশ নেওয়ার এবং Web3 প্রযুক্তির বিকাশ থেকে লাভবান হওয়ার সুযোগ পাবে। নতুন নিয়ম 2024 সালে কার্যকর হবে। এর অর্থ, একই অর্থবছরের জন্য করবিধিও সংশোধন করা হবে।
এর আগে, জাপানের 10টি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি “Japan Metaverse Economic Zone” গড়ে তোলার জন্য একটি চুক্তিতে সই করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন মেটাভার্স প্ল্যাটফর্মের মধ্যে সহযোগিতার জন্য একটি স্বতন্ত্র অবকাঠামো তৈরি করা, যা কোম্পানিগুলোর ডিজিটাল রূপান্তরকে এগিয়ে নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!