
এই মঙ্গলবারও সোনার দাম ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। প্রতি আউন্সের দাম বেড়ে $1,780-এ পৌঁছেছে। মনে হচ্ছে, USD দুর্বল হওয়ার সুযোগ নিচ্ছে এই মূল্যবান ধাতু।
বেশ কয়েকটি পরস্পরবিরোধী শক্তির টানাপোড়েনে সোনার দাম ভারসাম্য বজায় রাখছে। একদিকে রয়েছে ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা, অন্যদিকে রয়েছে উচ্চ প্রকৃত ফলন ও USD—যেগুলো বাজারের মনোভাবকেও আরও দুর্বল করছে।
তবে আজ দিনের শুরুতে ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা আবার বেড়েছে। ফলে উচ্চ-ঝুঁকির সম্পদ ও শেয়ারবাজারের দরপতন দেখা যাচ্ছে। সহজভাবে বললে, দুই বাজারেই বিক্রির চাপ বেড়েছে, যা সোনার ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য নতুন গতি জুগিয়েছে। হলুদ এই ধাতুটি আবারও প্রমাণ করছে যে এটি এখনো নিরাপদ আশ্রয়ের সম্পদগুলোর একটি, যা বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করে।



ডলারের কথা বলতে গেলে, গত কয়েক মাসে এটি সত্যিই সবচেয়ে শক্তিশালী উপকরণগুলোর একটি ছিল। তবে এই সপ্তাহের শুরু থেকে ধীরে ধীরে এর শক্তি কমছে।
সম্প্রতি ডলার অতিরিক্ত কেনা অঞ্চলে প্রবেশ করেছে। এর ফলে ধীরে ধীরে দরপতন শুরু হয়, যা গত সপ্তাহে গতি পায়। মুদ্রাটির দর কমা অব্যাহত রয়েছে; USD সূচক নেমে 101.7-এ পৌঁছেছে। এদিকে, বন্ডের ফলন স্থিতিশীল রয়েছে এবং ট্রেজারি নোটের ফলন প্রায় 2.7%।
এখন সোনার সঙ্গে ফলনের সরাসরি প্রতিযোগিতা দেখা যাচ্ছে। এই প্রতিযোগিতায়, বিশেষ করে মার্কিন বন্ডের ফলন ও USD-এর দরপতন বিবেচনায় নিলে, বিনিয়োগের জন্য সোনাকে আরও আকর্ষণীয় উপকরণ বলে মনে হচ্ছে।
সোনার দামের আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মূল্যস্ফীতির হার বৃদ্ধি সোনার দাম বাড়ার আরেকটি কারণ হতে পারে। মন্দার ক্রমবর্ধমান আশঙ্কার কথা বিবেচনায় নিলে, ধাতুটি কিনে ধরে রাখার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ সম্পদগুলোর একটি হয়ে উঠতে পারে।