স্টক ডিভিডেন্ড বলতে কোম্পানিগুলোর শেয়ারহোল্ডারদের নির্দিষ্ট ধরনের সম্পদ বা আয় দেওয়ার একটি পদ্ধতিকে বোঝায়। অন্য কথায়, স্টক ডিভিডেন্ড হলো এমন এক ধরনের পেমেন্ট, যা নগদ অর্থের বদলে শেয়ার আকারে দেওয়া হয়।

আজ আমরা স্টক ডিভিডেন্ডের অসুবিধা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি, এবং বাজার মূলধনের ওপর এর প্রভাব সম্পর্কে জানব।
নগদে ডিভিডেন্ড দেওয়ার বিকল্প হিসেবে স্টক ডিভিডেন্ড ইস্যু করা হয়। ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানের হাতে শেয়ারহোল্ডারদের পেমেন্ট দেওয়ার মতো নগদ অর্থ না থাকলে এটি করা হয়। স্টক ডিভিডেন্ডের ধরন ও পেমেন্টের তারিখ সাধারণত পরিচালনা পর্ষদ নির্ধারণ করে।
কিছু নতুন বিনিয়োগকারী ভুল করে মনে করেন, নগদ ও স্টক—দুই ধরনের ডিভিডেন্ডই বাজার মূলধন বাড়ায় এবং শেয়ারহোল্ডারদের সম্পদ বৃদ্ধি করে। বাস্তবে, শেয়ারের সংখ্যা বাড়লেও শেয়ারের দাম সেই অনুযায়ী কমে যাওয়ায় শেয়ারহোল্ডাররা আরও ধনী হন না। অন্য কথায়, বাজার মূলধন একই থাকে।



স্টক ডিভিডেন্ড পেলেই যে শেয়ারহোল্ডারের সম্পদ বাড়বে, তা নয়। তবে এর কিছু স্পষ্ট সুবিধা আছে, যদিও কিছু সামান্য অসুবিধাও রয়েছে।
সুবিধা:
অসুবিধা:
সব সুবিধা থাকা সত্ত্বেও, স্টক ডিভিডেন্ডের কিছু নির্দিষ্ট ঝুঁকি রয়েছে। একদিকে, এর ওপর কর দিতে হয় না। অন্যদিকে, নগদ অর্থের তুলনায় এটি খুব কমই ভালো বিকল্প হতে পারে, কারণ এতে শেয়ারহোল্ডারদের সম্পদ বা বাজার মূলধন বাড়ে না।
এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।