লগ আউট
Are you sure you want to exist?

শেয়ার কীভাবে কিনবেন — সম্পূর্ণ নির্দেশিকা

অনলাইনে দীর্ঘমেয়াদি লভ্যাংশ প্রদানকারী এই শেয়ারগুলো কেনার সহজ উপায় নিয়ে আমাদের নির্দেশিকায় পড়ুন। প্রক্রিয়াটি বেশ সহজ। এর জন্য বিশেষ দক্ষতা বা জ্ঞানের প্রয়োজন নেই। আপনার পছন্দের কোম্পানি বা শেয়ার ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানটি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হলেই হবে। এতে আপনি প্রয়োজনমতো শেয়ার কিনতে ও বিক্রি করতে পারবেন।

None

কোথায় শেয়ার কিনবেন, তা সাধারণত আপনার বেছে নেওয়া স্টক এক্সচেঞ্জের ওপর নির্ভর করে। এর মধ্যে লন্ডন, হংকং, টোকিওসহ অন্যান্য বড় শহরে অবস্থিত বিশ্বজুড়ে পরিচিত এক্সচেঞ্জ রয়েছে। সবচেয়ে বড় স্টক এক্সচেঞ্জটি নিউইয়র্কে অবস্থিত, যার বাজার মূলধন প্রায় 24.5 ট্রিলিয়ন ডলার।

কোথায় শেয়ার কিনবেন

অনলাইন ব্রোকারের মাধ্যমে শেয়ার কেনাকে সবচেয়ে সহজ ও নিরাপদ উপায় বলে মনে হয়। এসব প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন কোম্পানি এবং তাদের ইস্যু করা অ্যাসেটের ধরনগুলোর পূর্ণ তালিকা থাকে। আপনাকে শুধু একটি অ্যাকাউন্ট খুলে, শেয়ারের দাম এবং আপনি যে পরিমাণ কিনতে চান তার ভিত্তিতে পছন্দের শেয়ারটি খুঁজে নিতে হবে।

দাম সব সময় পরিবর্তিত হওয়ায় সামান্য ওঠানামা হতে পারে। অর্ডার জমা দেওয়ার সময়ের দাম এবং অর্ডার নিশ্চিত হওয়ার সময়ের দাম আলাদা হতে পারে। সাধারণত, চাহিদা ও জোগানের ওপর দাম নির্ভর করে। ক্রেতার সংখ্যা যত বেশি, দাম তত বেশি—আর ক্রেতার সংখ্যা কম হলে উল্টোটা ঘটে।

ইন্ডাস্ট্রির সেরা ট্রেডিং শর্ত
ডিপোজিট বোনাস
সর্বোচ্চ 200% ডিপোজিট বোনাস 
সর্বোচ্চ 200%
স্প্রেড
0 পিপ থেকে স্প্রেড 
0 পিপ থেকে
পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
এখনই যোগ দিন

যেসব চার্জ দিতে হবে

শেয়ার কেনার সময় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম নির্ধারিত অতিরিক্ত চার্জ ও ফি দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এ ছাড়া, শেয়ার ব্যবহার ও ধরে রাখার পাশাপাশি কেনা বা বেচার অর্ডার দেওয়ার জন্যও অতিরিক্ত ফি লাগতে পারে। নিচে সাধারণত যে ধরনের ফি দেখা যায়, সেগুলো দেওয়া হলো:

  • ব্রোকারেজ ফি – অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো মাসিক বা বার্ষিক অ্যাকাউন্ট ফি নির্ধারণ করে। এই ফি বিনিয়োগের একটি নির্দিষ্ট শতাংশ অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণ হতে পারে।
  • কেনা/বেচার ফি – প্রতিবার শেয়ার কিনতে বা বেচতে অতিরিক্ত কমিশন দিতে হবে। যারা ঘন ঘন ট্রেড করেন, তারা ছাড় বা বিশেষ বোনাস পেতে পারেন।
  • টাকা স্থানান্তর ফি – অন্য কোনো প্ল্যাটফর্ম বা আর্থিক পরিষেবা প্রদানকারীর কাছে আপনার অর্থ স্থানান্তর করলে যে কমিশন দিতে হয়, এটিই সেই ফি।
  • স্ট্যাম্প ডিউটি – যুক্তরাজ্যের প্রতিটি শেয়ার কেনার জন্য নির্দিষ্ট কমিশন (0.5% স্ট্যাম্প ডিউটি + £10,000-এর বেশি মূল্যের প্রতিটি লেনদেনে £1)।

শেয়ারে বিনিয়োগ করা কতটা ভালো?

এটি ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়। আপনি কতটা ঝুঁকি নিতে পারবেন, তা একমাত্র আপনিই ঠিক করতে পারেন। বিনিয়োগ আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বিকল্প কি না, তা কেউই নিশ্চিত করে বলতে পারবে না। শেয়ার যদি এখনও বিনিয়োগের জন্য আপনার সবচেয়ে পছন্দের বিকল্প বলে মনে হয়, তাহলে নিচের বিষয়গুলো বিবেচনা করুন:

  1. শেয়ারে বিনিয়োগ একটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশল। কিছু ক্ষেত্রে ভালো মুনাফা করতে 5 থেকে 10 বছর সময় লাগতে পারে। আপনি যদি এখনই আয় করার সুযোগ খুঁজে থাকেন, তাহলে অন্য কোনো বিকল্প বিবেচনা করা উচিত।
  2. একটি মাত্র ইস্যুকারীর শেয়ার ধরে রাখবেন না। অন্য কথায়, সব ডিম এক ঝুড়িতে রাখবেন না। পোর্টফোলিওতে বৈচিত্র্য আনলে লাভের সম্ভাবনা বাড়ে এবং বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো যায়।

শেয়ারবাজার অত্যন্ত অনিশ্চিত হতে পারে। বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্ভরযোগ্য টুল—যেমন টেকনিক্যাল ইন্ডিকেটর বা বাজারের বিশ্লেষণ—ছাড়া শেয়ারের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে কি না, তা অনুমান করার চেষ্টা করবেন না। দামে অপ্রত্যাশিত ও তীব্র পুনরুদ্ধার বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই নিয়মিত বিনিয়োগ করার চেষ্টা করুন।

শেয়ার কেনা কি ঝুঁকিপূর্ণ?

শেয়ার জালিয়াতি বা অযাচিত ফোনকলের মাধ্যমে প্রতারণা বড় ঝুঁকির কারণ। হঠাৎ করে হাজির হয়ে “লোভনীয় অফার” দেওয়া সন্দেহজনক বিশেষজ্ঞদের কথা কখনো শুনবেন না। তথাকথিত “বয়লার রুম” প্রতারকদের ব্যাপারেও সতর্ক থাকুন। সাধারণত, তারা অতিরিক্ত দামে বিক্রি হওয়া বা মূল্যহীন শেয়ার ছাড়া কিছুই দেয় না—কখনো কখনো সেই শেয়ারের অস্তিত্বই থাকে না।

এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।