লগ আউট
Are you sure you want to exist?
MTrading Team • আজ

বাজারের অস্থিরতার মধ্যে USDJPY ঘুরে দাঁড়াচ্ছে; নজর যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রয় ও ট্রাম্পের দিকে

বাজারের অস্থিরতার মধ্যে USDJPY ঘুরে দাঁড়াচ্ছে; নজর যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রয় ও ট্রাম্পের দিকে

বাণিজ্য, রাজনীতি ও Fed-কে ঘিরে উদ্বেগে বাজারে সতর্কতা

বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতে বাজারে অস্থিরতা রয়েছে। এর আগে ট্রাম্পের পদক্ষেপ, যুক্তরাষ্ট্রের প্রডিউসার প্রাইস ইনডেক্স (PPI) ডেটা এবং ভূরাজনৈতিক ঘটনাবলির প্রভাবে দিনটি ছিল অত্যন্ত অস্থির। যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ খুচরা বিক্রয় ও সাপ্তাহিক বেকারত্ব ভাতার দাবির ডেটা প্রকাশের আগেও সতর্কতা রয়েছে।

জুনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রডিউসার প্রাইস ইনডেক্স (PPI) প্রত্যাশার চেয়ে কম, বছরওয়ারি 2.3% এসেছে—যা 2024 সালের সেপ্টেম্বরের পর সর্বনিম্ন। কোর PPI 3.0% থেকে কমে 2.6% হয়েছে। শুল্কের প্রভাব দামে ছড়িয়ে পড়ার কিছু লক্ষণ থাকলেও, এতে বোঝা যায় যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে; ফলে মার্কিন ডলার দুর্বল হয়েছে। ইতিবাচক দিক হলো, জুনে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প উৎপাদন মাসওয়ারি 0.3% বেড়েছে, যা প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে।

PPI-এর তথ্য প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল হলেও, বাজার এখনও US Core Personal Consumption Expenditures (PCE) Index শক্তিশালী হবে বলে আশা করছে। মূল্যস্ফীতি মাপার ক্ষেত্রে Fed এই সূচকটিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়। এর ফলে আগের ক্ষতি পুষিয়ে মার্কিন ডলার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। National Economic Council-এর পরিচালক Hassett বলেছেন, মার্কিন মূল্যস্ফীতির তথ্য ঠিকঠাক আছে এবং Fed-কে পিছিয়ে পড়া পুষিয়ে নিতে হবে। Fed-এর Beige Book-এ অর্থনৈতিক কার্যকলাপে সামান্য বৃদ্ধির কথা উঠে এসেছে। এদিকে, Atlanta Fed-এর প্রেসিডেন্ট Bostic এবং New York Fed-এর প্রেসিডেন্ট Williams আরও সুদের হার কমানোর বিরোধিতা করেছেন এবং তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন।

তবে বাজারের প্রধান চালক ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রিপাবলিকান পার্টির (GOP) সদস্যদের কাছে লেখা এক চিঠিতে তিনি Fed চেয়ার জেরোম পাওয়েলকে বরখাস্ত করার সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা তৈরি করেন। এতে Fed-এর স্বাধীনতা নিয়ে আশঙ্কা দেখা দেয় এবং বাজারে ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা তৈরি হয়। ফলে মার্কিন ডলার, শেয়ারবাজার ও বন্ডের ইল্ড দুর্বল হয়; অন্যদিকে, সোনা, জাপানি ইয়েন (JPY) ও সুইস ফ্রাঁর (CHF) মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে বিবেচিত সম্পদের দাম বাড়ে। তবে পরে ট্রাম্প অবস্থান বদলে বলেন, পাওয়েলকে সরিয়ে দিলে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হবে। এরপর মার্কিন ডলার, শেয়ারবাজার ও বন্ডের ইল্ড ঘুরে দাঁড়ায়।

ট্রাম্প ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির অগ্রগতি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) সঙ্গে এমন চুক্তির সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেছেন। তবে কানাডা নিয়ে মন্তব্য করার জন্য “এখনও খুব তাড়াতাড়ি” বলে জানান তিনি। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি নিশ্চিত করেছেন যে কোনো বাণিজ্য চুক্তি হয়নি। তবে তিনি বাণিজ্য সম্পর্কের বৈচিত্র্য বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।

ভূরাজনৈতিক অঙ্গনে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালেও দামেস্কে সিরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ওপর হামলার অনুমোদন দিয়েছেন। ইসরায়েল ও সিরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা থামাতে পারে—এমন একটি চুক্তির খবর পাওয়া গেছে। এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, পরিস্থিতি সমাধানে নির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপে একমত হওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক মার্কিন দূত উইটকফ গাজা নিয়ে আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতির কথা বলেছেন।

যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতির শক্তিশালী তথ্যের পর ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের (BoE) নীতিনির্ধারক Mann কম সুদহার কমানোর পক্ষে মত দেন, যা GBP/USD-কে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করে।

জাপানে, ডেপুটি চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি Aoki মুদ্রা নিয়ে জল্পনা সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এদিকে, জাপানি কর্মকর্তারা ও যুক্তরাষ্ট্র একটি বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। জাপানের রপ্তানি টানা দ্বিতীয় মাসে কমেছে, ফলে চুক্তির জন্য চাপ বেড়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় বেকারত্বের হার অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়েছে, যা AUD/USD-কে চাপে ফেলেছে। অন্যদিকে, US Dollar-এর শক্তি NZD/USD-এর ওপর চাপ বজায় রেখেছে। সামান্য দরপতনের পর US Dollar (USD) কানাডিয়ান ডলার (CAD)-এর বিপরীতেও ঘুরে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে তেলের মজুত অপ্রত্যাশিতভাবে কমে যাওয়ার পর অপরিশোধিত তেলের দাম টানা তিন দিনের পতন থামিয়েছে।

প্রত্যাশিত US ক্রিপ্টো বিলগুলো নিয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো নতুন তথ্য না আসায় ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো আগের লাভ ধরে রাখতে হিমশিম খেয়েছে। কয়েক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর পর Bitcoin (BTC/USD) এবং Ethereum (ETH/USD)-এ মুনাফা তুলে নেওয়ার চাপ দেখা গেছে। এদিকে, US শেয়ারবাজার ইতিবাচক অবস্থায় বন্ধ হয়েছে এবং বন্ডের ইল্ড আগের ক্ষতির কিছুটা পুষিয়ে নিয়েছে।

বুধবারের উত্থান সত্ত্বেও EURUSD ও GBPUSD-তে সাপ্তাহিক দরপতনের আশঙ্কা

শক্তিশালী US Dollar এবং EU-US বাণিজ্য আলোচনায় ধীর অগ্রগতি নিয়ে উদ্বেগের কারণে EURUSD টানা দ্বিতীয় সপ্তাহে দরপতনের পথে রয়েছে। চুক্তিতে পৌঁছানো না গেলে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে উচ্চ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছে। এ ছাড়া, ECB কর্মকর্তারা সামষ্টিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও মুদ্রাস্ফীতির চাপের কথা উল্লেখ করে আরও সুদের হার কমানোর বিরোধিতা করেছেন এবং ইউরোপের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেছেন।

যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতি বাড়লেও GBPUSD টানা তৃতীয় সপ্তাহে লোকসানের পথে রয়েছে। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের (BoE) নীতিনির্ধারক Catherine Mann মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যা সুদের হার আরও কমানোর পথে বাধা হতে পারে। যুক্তরাজ্যের সর্বশেষ কর্মসংস্থান প্রতিবেদনে মিশ্র ফল দেখা গেছে। এতে দেশটির কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে, বিশেষ করে রাজস্বনীতি নিয়ে সংশয় এবং এসব সমস্যা মোকাবিলায় সরকারের সক্ষমতা নিয়ে সন্দেহের কারণে। এর ফলে পাউন্ডের ওপর চাপ পড়েছে।

US Dollar-এর দরপতনে EURUSD ও GBPUSD—দুটিতেই সংশোধনমূলক উত্থান দেখা গেছে, বিশেষ করে UK-র মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রত্যাশার চেয়ে বেশি আসার পর।

মিশ্র উদ্বেগের মধ্যে USDJPY 15 সপ্তাহের সর্বোচ্চ অবস্থানে ঘুরে দাঁড়িয়েছে

গতকাল এপ্রিলের শুরুর পর সর্বোচ্চ স্তর থেকে নেমে আসার পর USDJPY ঘুরে দাঁড়িয়েছে; এতে টানা তিন দিনের উত্থান থেমেছিল। US ডলারের দুর্বলতা এবং বাজারে বাড়তে থাকা সতর্কতা বুধবার এই পেয়ারটির ওপর চাপ সৃষ্টি করে থাকতে পারে। তবে US-Japan বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ, জাপানের দুর্বল রপ্তানি, সরকারের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপ এবং সুদের হার বাড়াতে Bank of Japan (BoJ)-এর চ্যালেঞ্জ—এসব কারণে বৃহস্পতিবার ইয়েন পেয়ারটি ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যদিও জাপানের বন্ডের ইল্ড কমেছে।

ইন্ডাস্ট্রির সেরা ট্রেডিং শর্ত
ডিপোজিট বোনাস
সর্বোচ্চ 200% ডিপোজিট বোনাস 
সর্বোচ্চ 200%
স্প্রেড
0 পিপ থেকে স্প্রেড 
0 পিপ থেকে
পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
এখনই যোগ দিন

AUDUSD ও NZDUSD তিন সপ্তাহের সর্বনিম্নে, USDCAD ঘুরে দাঁড়াল

দুর্বল অস্ট্রেলীয় কর্মসংস্থান প্রতিবেদন, Reserve Bank of Australia (RBA)-এর আরও সুদ কমানোর প্রত্যাশা এবং শক্তিশালী মার্কিন ডলারের প্রভাবে AUDUSD তিন সপ্তাহের সর্বনিম্নে নেমেছে। টানা চার সপ্তাহের মধ্যে প্রথমবারের মতো সাপ্তাহিক পতনের দিকেও এগোচ্ছে এই জুটি। একইভাবে, নিউজিল্যান্ডের Food Price Index ইতিবাচক হলেও শক্তিশালী USD এবং নেতিবাচক বাজার-মনোভাবের চাপে NZDUSD 23 জুনের পর সর্বনিম্নে নেমেছে।

এদিকে, আগের দিনের পতন থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে USDCAD। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বাড়তে থাকা বাণিজ্য উত্তেজনা, হতাশাজনক কানাডীয় তথ্য এবং কানাডার অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য অপরিশোধিত তেলের দুর্বল দামের প্রভাবে এই মুদ্রাজোড়াটি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তবে বুধবারের সাপ্তাহিক মজুত প্রতিবেদন প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার অপরিশোধিত তেলের দামে সংশোধনমূলক উত্থান দেখা গেছে।

সোনার দর চাপে, ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা অপরিশোধিত তেলের

মার্কিন ডলারের শক্তি বৃদ্ধি এবং চীন থেকে নতুন খবরের অভাবে বিক্রেতারা নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় 50-day SMA থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর পর সোনার দাম আবার কমেছে। আগের দিন মার্কিন ডলার দুর্বল হওয়ায় সামান্য ঘুরে দাঁড়ালেও, টানা ৩ সপ্তাহের মধ্যে প্রথম সাপ্তাহিক লোকসানের পথে রয়েছে সোনা। টানা ২ দিনের দরপতনের ধারায় ছেদ পড়লেও, বাজারের অনিশ্চয়তায় আজ দাম কমেছে।

এদিকে, বৃহস্পতিবারের শুরুতে টানা তিন দিনের দরপতন থামলেও WTI ক্রুড অয়েল তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রথম সাপ্তাহিক লোকসানের পথে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্রুড অয়েল মজুতে অপ্রত্যাশিত হ্রাসের কারণে এই ঘুরে দাঁড়ানো দেখা গেছে, যদিও API-এর তথ্য অনুযায়ী মজুত ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াও WTI ক্রুডের এই সংশোধনী উত্থানে ভূমিকা রাখছে।

সাম্প্রতিক দরবৃদ্ধির পর ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজার থমকে, সপ্তাহের লাভের পথে

বিটকয়েন (BTCUSD) আগের দিনের পুনরুদ্ধার অব্যাহত রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। অন্যদিকে, পাঁচ মাসের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে পিছু হটেছে ইথেরিয়াম (ETHUSD)। ট্রেডাররা বহুল প্রতীক্ষিত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রিপ্টো বিল মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে পাস হওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত জানার অপেক্ষায় রয়েছেন। ট্রাম্প বিলগুলোকে সমর্থন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। উচ্চ পর্যায়ে মুনাফা তুলে নেওয়ার কারণেও ক্রিপ্টো বুলদের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তবে প্রাতিষ্ঠানিক কেনাকাটা এবং টেকনিক্যাল ব্রেকআউট আরও ঊর্ধ্বগতির সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

প্রধান অ্যাসেটগুলোর সর্বশেষ ওঠানামা

  • WTI অপরিশোধিত তেলের দাম চার দিনের মধ্যে প্রথমবারের মতো বেড়ে প্রায় $66.70 হয়েছে, তবে ঊর্ধ্বমুখী পুনরুদ্ধারের গতি দুর্বল।
  • সাপ্তাহিক পতনের পথে সোনা। আগের দিনের সংশোধনমূলক উত্থান উল্টে 50-দিনের SMA সাপোর্ট থেকে সরে এসেছে। প্রেস টাইমে সোনার দামে বিক্রির চাপ কিছুটা বেশি, প্রায় $3,338-এর কাছাকাছি।
  • US Dollar Index (DXY) আগের দিনের পতন কাটিয়ে উঠেছে, যে পতনের পর সূচকটি তিন সপ্তাহের সর্বোচ্চ স্তর থেকে নেমেছিল। টানা দ্বিতীয় সপ্তাহে বাড়ার পথে রয়েছে সূচকটি।
  • ওয়াল স্ট্রিট সামান্য লাভ নিয়ে লেনদেন শেষ করেছে, তবে স্টক ফিউচার কিছুটা দুর্বল। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের শেয়ারবাজারও কিছুটা নেমেছে। এদিকে, দিনের শুরুর লেনদেনে ইউরোপীয় ও ব্রিটিশ শেয়ারবাজারে স্পষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা দেখা যাচ্ছে না।
  • Bitcoin ও Ethereum—দুটিরই দামে সামান্য পতন হয়েছে। সর্বশেষে Bitcoin-এর দাম প্রায় $119,000 এবং Ethereum-এর 3,160-এর কাছাকাছি।

বৃহস্পতিবার জুড়ে ব্যস্ততা বাড়াতে আসছে আরও তথ্য ও ঝুঁকি-সংক্রান্ত খবর…

অত্যন্ত অস্থির বুধবারের পর, যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রির তথ্য এবং সাপ্তাহিক বেকারত্ব ভাতার আবেদন নতুন করে সক্রিয় একটি দিনের প্রত্যাশা বাড়াতে পারে। তবে ট্রাম্প নতুন কোনো চমক দিয়ে পরে অবস্থান না বদলালে US Dollar-এর দর কমার সম্ভাবনা কম, ফলে বাজারে অস্থিরতা থাকতে পারে। এ ছাড়া, বাণিজ্য ও রাজনীতি নিয়ে খবর এবং ফেডের স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সুদের হার কমানোর লক্ষ্যে ট্রাম্প এখন শুধু পাওয়েল নয়, ফেডের পুরো বোর্ডকেই লক্ষ্যবস্তু করছেন বলে মনে হচ্ছে। এমনটা হলে USD কিছুটা পিছিয়ে গিয়ে সাপ্তাহিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারে, তবে প্রধান মুদ্রা, অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের মুদ্রা এবং পণ্যের বাজারে চাপ বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের অপ্রত্যাশিত কোনো পদক্ষেপ, যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রির দুর্বল পরিসংখ্যান বা বেকারত্ব ভাতার দাবির সংখ্যা বেড়ে গেলে USD-এর বিপরীতে USDJPY, Gold এবং USDCHF-এর দর বাড়তে পারে। এদিকে, ক্যাপিটল হিলের পরিস্থিতির দিকে বাজারের অংশগ্রহণকারীদের নজর থাকায় ক্রিপ্টো বাজারে অস্থিরতা বজায় থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ ক্রিপ্টো বিল পাস হলে BTCUSD ও ETHUSD-এর দর বাড়তে পারে।

শীর্ষস্থানীয় অ্যাসেটগুলোর পূর্বাভাস

  • বুলিশ মুভের প্রত্যাশা: USDCAD, USDJPY
  • আরও দরপতনের সম্ভাবনা: USDCHF, সোনা
  • দর স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা: Nasdaq, DJI30, USDCNH, AUDUSD, NZDUSD, GBPUSD, মার্কিন ডলার, BTCUSD, ETHUSD, অপরিশোধিত তেল
  • ধীর ও ধাপে ধাপে দরপতনের সম্ভাবনা: DAX, FTSE 100, EURUSD

ট্রেডিংয়ে ভাগ্য আপনার সহায় হোক!