
বৃহস্পতিবারের শুরুর দিকে EURUSD ১১ সপ্তাহের মধ্যে এক দিনে হওয়া সবচেয়ে বড় দরপতনের কিছুটা পুষিয়ে নিয়েছে। এভাবে এটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল এবং 50-Exponential Moving Average (EMA) থেকে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে।
এই ঊর্ধ্বমুখী প্রত্যাবর্তন ইঙ্গিত দিচ্ছে, গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ডেটা প্রকাশের আগেই ইউরোর গতি কমে আসতে পারে। এসব ডেটার মধ্যে আগস্টে জার্মানির মূল্যস্ফীতির প্রাথমিক হিসাব এবং যুক্তরাষ্ট্রের Q2 GDP-এর সংশোধিত হিসাব ইন্ট্রাডে ট্রেডারদের নজর কাড়ছে। তবে RSI (Relative Strength Index) এবং MACD (Moving Average Convergence Divergence) ইন্ডিকেটর সম্ভাব্য ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ইঙ্গিত দিলেও, তা নিশ্চিত হওয়া দরকার।
EURUSD-এর ক্রেতাদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে 1.1150-এর আশপাশে থাকা এক সপ্তাহ আগে গঠিত অনুভূমিক রেজিস্ট্যান্স এলাকা থেকে নিশ্চিতকরণ এবং যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির ডেটা দরকার। এরপর, সপ্তাহের শুরুতে চিহ্নিত 1.1200-এর কাছাকাছি বার্ষিক সর্বোচ্চ স্তরটি ইউরোর ক্রেতাদের আকৃষ্ট করবে। দর 1.1200-এর ওপরে শক্তিশালী থাকলে, আগে উল্লেখ করা ওয়েজের প্রায় 1.1250-এর ওপরের লাইন এবং 1.1275-এ আগের বার্ষিক সর্বোচ্চ স্তরটি বিক্রেতাদের শেষ প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করবে।
অন্যদিকে, EURUSD বিক্রেতাদের বিয়ারিশ চার্ট প্যাটার্ন নিশ্চিত করতে এবং আরও দরপতনের লক্ষ্য রাখতে 1.1100-এর নিচে স্পষ্ট ব্রেকের অপেক্ষা করতে হবে। সে ক্ষেত্রে, 200-EMA এবং জুনের শুরুর দিক থেকে উঠে আসা ট্রেন্ড লাইন—1.0980-এর কাছাকাছি আগের রেজিস্ট্যান্স—বিশেষ নজরে থাকবে। পেয়ারটি 1.0980-এর নিচে বিয়ারিশ থাকলে, রাইজিং ওয়েজের 1.0680 তাত্ত্বিক লক্ষ্যের দিকে আরও দরপতনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
সারসংক্ষেপে, EURUSD বর্তমানে ঊর্ধ্বমুখী ধারায় রয়েছে। তবে আরও বাড়বে কি না, তা আসন্ন অর্থনৈতিক তথ্য এবং সম্ভাব্য দরপতনের ওপর নির্ভর করতে পারে।